Welcome to

Registered under the Government of West Bengal
(Regd No :IV-190200298/2026 | P&RD Dept. Regd. No:1725)

Shyampur, Howrah, West Bengal

Institute of Art , Music & Dance 

"আমাদের অনুপ্রেরণা ও পথপ্রদর্শক"

শ্রীমতী ছবি দাস

"ছবি" — শুধু একটি নাম নয়, আমাদের অস্তিত্ব এবং সৃষ্টির উৎস। "যাঁর স্নেহে, ত্যাগে এবং ভালোবাসায় আমার জীবনের প্রতিটি রঙের জন্ম, তিনি হলেন আমার মা—শ্রীমতী ছবি দাস। মায়ের হাত ধরেই পৃথিবীতে আমার প্রথম পথচলা, আর তাঁরই দেওয়া অনুপ্রেরণায় শিল্পের এই সুন্দর জগতে আমার প্রবেশ। মায়ের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা, কৃতজ্ঞতা এবং ভালোবাসার এক চিরস্থায়ী স্মারক হিসেবেই এই প্রতিষ্ঠানের নামকরণ করা হয়েছে—'ছবি শিক্ষণ কেন্দ্র'। মা যেমন নিঃস্বার্থভাবে সন্তানকে আগলে রাখেন এবং সঠিক দিশা দেখান, ঠিক তেমনি আমাদের এই প্রতিষ্ঠানও প্রতিটি শিক্ষার্থীকে মায়ের মতোই পরম স্নেহে ও যত্নে আগলে রাখতে চায়। আমাদের লক্ষ্য, মায়ের নামের এই পবিত্রতাকে বজায় রেখে প্রতিটি শিশুর ভেতরের সুপ্ত শৈল্পিক প্রতিভাকে ফুটিয়ে তোলা এবং তাদের একটি সুন্দর, উজ্জ্বল ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে দেওয়া। মায়ের আশীর্বাদই আমাদের এই পথচলার প্রতিদিনের শক্তি।"

তরুণ কুমার বায়েন (Tarun Kumar Bayen)

পরিচয়: প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী, নাট্যকার, ছড়াকার ও বাচিক শিক্ষক
শৈল্পিক পরিচিতি ও জীবনদর্শন:"শিল্পের কোনো নির্দিষ্ট সীমানা হয় না—এই সত্যের জীবন্ত প্রকাশ হলেন আমাদের শ্রদ্ধেয় শিক্ষক তরুণ কুমার বায়েন। তিনি একাধারে যেমন ক্যানভাসে রঙের জাদুতে ফুটিয়ে তোলেন নিখুঁত চিত্রশিল্প, ঠিক তেমনি তাঁর কলমের ছোঁয়ায় প্রাণ পায় মননশীল নাটক, অনন্য ছড়া ও সাহিত্য সৃষ্টি। শুধু তাই নয়, শব্দের সঠিক উচ্চারণ আর বাচনভঙ্গির জাদুতে একজন দক্ষ বাচিক শিক্ষক হিসেবেও তিনি সংস্কৃতির অঙ্গনে সমাদৃত। বহু বছরের শৈল্পিক সাধনা এবং গভীর অভিজ্ঞতায় সমৃদ্ধ এই মানুষটি আমাদের 'ছবি শিক্ষণ কেন্দ্র'-এর প্রধান পথপ্রদর্শক ও উপদেষ্টা। ছাত্রছাত্রীদের সাথে তাঁর সম্পর্ক শুধু শিক্ষকতার গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ নয়, বরং তা পরম স্নেহ এবং আত্মিক ভালোবাসার। তাঁর এই বহুমুখী শৈল্পিক দূরদর্শিতা এবং অভিভাবকত্বই আমাদের প্রতিষ্ঠানের প্রতিটি শিক্ষার্থীকে সংস্কৃতির বহুমাত্রিক ধারায় বিকশিত হতে প্রতিদিন অনুপ্রাণিত করে।"

অনুপ দাস (Anup Das)

পরিচয়: প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান প্রশিক্ষক (Fine Arts বিভাগ) শৈল্পিক পথচলা ও জীবনদর্শন: "রং, তুলি আর ক্যানভাসের জাদুময় পৃথিবীর সাথে আমার আত্মিক বন্ডিং আজ তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে। বিগত ৩০ বছর ধরে চিত্রকলার নানান রঙে নিজেকে নিমজ্জিত রেখেছি। আর আমার এই শৈল্পিক জীবনের প্রথাগত ভিত তৈরি হয়েছিল পরম শ্রদ্ধেয় গুরু, বহুমুখী শিল্পী তরুণ কুমার বায়েন মহাশয়ের স্নেহে। গুরুর কঠোর শাসন ও অপার ভালোবাসায় চিত্রকলাকে শুধু একটি শিল্পমাধ্যম হিসেবে নয়, জীবনের পরম সাধনা হিসেবে গ্রহণ করেছি। সময়ের সাথে সাথে গুরুর সাথে ছাত্রের সেই সম্পর্ক আরও গভীর হয়ে আজ এক আত্মিক ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে রূপ নিয়েছে। নিজের দীর্ঘ ৩০ বছরের শৈল্পিক অভিজ্ঞতা এবং বিগত ২০ বছর ধরে শিক্ষকতার গভীর পথচলাকে পাথেয় করে, আমার জন্মভূমি শ্যামপুরের মাটিতে শিশুদের সৃজনশীল প্রতিভাকে ডানা মেলার আকাশ দিতে গড়ে তুলেছি 'ছবি শিক্ষণ কেন্দ্র'। শিল্পের কোনো একটি নির্দিষ্ট গণ্ডিতে আমি নিজেকে সীমাবদ্ধ রাখিনি; চিত্রাঙ্কনের পাশাপাশি চারুকলার সমস্ত শাখাতেই (সব রকম মাধ্যম, হস্তশিল্প ও ক্রাফট) নিয়মিত কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে। বিভিন্ন সময়ে বেশ কিছু ছোটখাটো শিল্প প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণ আমার শৈল্পিক চেতনাকে আরও সমৃদ্ধ করেছে। আমার কাছে শিক্ষকতা কেবল পরীক্ষার সিলেবাস বা খাতার পাতায় গণ্ডিবদ্ধ কোনো পাঠ নয়। দীর্ঘ ২০ বছর ধরে আমি বিশ্বাস করে এসেছি—প্রতিটি শিশুর অন্তরে একটি স্বাধীন শিল্পীমন লুকিয়ে থাকে। একঝাঁক প্রতিভাবান বন্ধুদের সহযোদ্ধা হিসেবে পাশে নিয়ে, মায়ের নামে গড়া এই প্রতিষ্ঠানকে এমন এক ভালোবাসার আঙিনা হিসেবে গড়ে তুলতে চাই, যেখানে প্রতিটি শিক্ষার্থী পরম যত্নে নিজের মৌলিক প্রতিভাকে চিনতে শিখবে এবং একটি মার্জিত মনন নিয়ে বড় হবে।"

 CHHABI SHIKSHAN KENDRA
বাৎসরিক পরীক্ষা ২০২৫-২০২৬

ছবি শিক্ষণ কেন্দ্র (পরীক্ষা নিয়ামাবলী)

  1. নিয়মিত পরীক্ষার্থী (Regular Candidates): প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব কেন্দ্র বা ছবি শিক্ষণ কেন্দ্রর অনুমোদিত (Affiliated) শিক্ষকদের অধীনে পাঠ্যরত শিক্ষার্থীরাই কেবল নিয়মিত পরীক্ষার্থী হিসেবে গণ্য হবে।
  2. প্রতি বছর পরীক্ষা ফর্ম ফিলাপের সময় নির্দিষ্ট বর্ষের (Year) পরীক্ষার ফি জমা দিতে হবে।
  1. সরাসরি পরীক্ষার্থী (Direct Candidates): যেসকল শিক্ষার্থী অন্য কোথাও শেখে বা স্বশিক্ষিত, তারা ছবি শিক্ষণ কেন্দ্রর নির্ধারিত “সেন্ট্রাল রেজিস্ট্রেশন” সম্পন্ন করে সরাসরি পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবে।
  2. সরাসরি বা ডিরেক্ট পরীক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে প্রতি বছর পরীক্ষার ফির সাথে নির্ধারিত বাৎসরিক নবীকরণ ফি (Annual Renewal Fee) জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক।
  3. নির্দিষ্ট সময়ের পরে ফর্ম জমা দিলে বিলম্ব ফি (Late Fine) প্রযোজ্য হতে পারে।
  4. ডিরেক্ট পরীক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে উচ্চতর বর্ষের (Higher Years) পরীক্ষায় বসার জন্য পূর্ববর্তী বছরের সমতুল্য পরীক্ষার শংসাপত্র (Certificate) জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক। অন্যথায়, পরীক্ষা নিয়ামকের উপস্থিতিতে একটি যোগ্যতা নির্ণায়ক পরীক্ষা (Eligibility Test)-র মাধ্যমে পরীক্ষার্থীর সঠিক বর্ষ নির্ধারণ করা হবে।
  5. কোনো ডকুমেন্টস না থাকলে একজন পরীক্ষার্থী সর্বোচ্চ ১ম বর্ষ (1st Year) অথবা ২য় বর্ষ (2nd Year)-এর পরীক্ষায় সরাসরি বসতে পারবে।
  6. যদি কেউ দাবি করে যে সে কোথাও না শিখলেও খুব ভালো আঁকে এবং সরাসরি ৩য় বা ৪থ বর্ষের পরীক্ষা দিতে চায়, তবে তাকে ফর্ম ফিলাপের দিন একটি ছোট পরীক্ষা দিতে হবে।

পরীক্ষায় বসার পূর্বশর্ত হলো ছবি শিক্ষণ কেন্দ্রর বৈধ রেজিস্ট্রেশন নম্বর থাকা।
পরীক্ষা শুরুর নির্দিষ্ট দিন পূর্বে পরীক্ষার্থীকে অফিস থেকে অ্যাডমিট কার্ড (Admit Card) সংগ্রহ করতে হবে। অ্যাডমিট কার্ড ছাড়া কোনোভাবেই পরীক্ষা কক্ষে প্রবেশ করা যাবে না।
উত্তরপত্রে রেজিস্ট্রেশন নম্বর এবং রোল নম্বর স্পষ্ট অক্ষরে লিখতে হবে। কোনো কাটাকাটি বা ভুল হলে অবিলম্বে কক্ষ পরিদর্শকের (Invigilator) অনুমতি নিতে হবে।

প্রতি বছর পরীক্ষা ফর্ম ফিলাপের সময় নির্দিষ্ট বর্ষের (Year) পরীক্ষার ফি জমা দিতে হবে।
সরাসরি বা ডিরেক্ট পরীক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে প্রতি বছর পরীক্ষার ফির সাথে নির্ধারিত বাৎসরিক নবীকরণ ফি (Annual Renewal Fee) জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক।
নির্দিষ্ট সময়ের পরে ফর্ম জমা দিলে বিলম্ব ফি (Late Fine) প্রযোজ্য হতে পারে।

পরীক্ষা শুরুর অন্তত ৩০ মিনিট পূর্বে পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা কেন্দ্রে উপস্থিত হতে হবে।
পরীক্ষা শুরুর ১৫ মিনিট পর কোনো পরীক্ষার্থীকে আর কেন্দ্রে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না।
পরীক্ষা শুরু হওয়ার পর প্রথম ১ ঘণ্টার মধ্যে কোনো পরীক্ষার্থী পরীক্ষা কক্ষ ত্যাগ করতে পারবে না।

আঁকার সামগ্রী: অঙ্কন পরীক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় বোর্ড, পেনসিল, রঙ, ইরেজার, স্কেল ইত্যাদি পরীক্ষার্থীকে নিজেকেই নিয়ে আসতে হবে। কেন্দ্র থেকে শুধুমাত্র মূল খাতা/অঙ্কন পত্র (Drawing Sheet) সরবরাহ করা হবে।
পরীক্ষা কক্ষে কোনো প্রকার মোবাইল ফোন, ডিজিটাল ঘড়ি বা অননুমোদিত কাগজ রাখা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
পরীক্ষা চলাকালীন অন্য কোনো পরীক্ষার্থীর সাথে কথা বলা বা কোনো সামগ্রী আদান-প্রদান করা শৃঙ্খলাভঙ্গ বলে গণ্য হবে।

ছবি শিক্ষণ কেন্দ্রর নিযুক্ত প্রধান পরীক্ষকদের (Examiners) সিদ্ধান্তই খাতা দেখার ক্ষেত্রে চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে।
পরীক্ষার ফলাফল (Result) ও প্রগতিপত্র (Progress Report) নির্দিষ্ট সময়ে কেন্দ্র বা সংশ্লিষ্ট অনুমোদিত শিক্ষকের মাধ্যমে সংগ্রহ করতে হবে।
কোনো পরীক্ষার্থী অসাধু উপায় অবলম্বন করলে তার পরীক্ষা বাতিল (Cancel) করার সম্পূর্ণ অধিকার ছবি শিক্ষণ কেন্দ্র কর্তৃপক্ষের থাকবে।

ছবি শিক্ষণ কেন্দ্রর নিয়ম ও পরীক্ষা সংক্রান্ত যেকোনো বিষয়ে যেকোনো পরিবর্তন বা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার কেবল “ছবি শিক্ষণ কেন্দ্র”  কর্তৃপক্ষের হাতে সংরক্ষিত থাকবে।

পুরস্কারের ঝুড়ি'

প্রত্যেক ইয়ারে প্রথম, দ্বিতীয় ,তৃতীয় স্থান অধিকার করবেন যারা ।

বাৎসরিক পরীক্ষায় যারা ৭৫ পার্সেন্টেজ বেশি নাম্বার পাবেন সবার জন্য

যার অ্যালবামটি বছরের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত একদম দাগহীন, ছিঁড়ে যায়নি এবং সমস্ত কাজ সুন্দরভাবে সাজানো গোছানো  আছে।

যার অ্যালবাম বা খাতাটি সাজানো, সূচিপত্র তৈরি এবং বাঁধাই করা সবচেয়ে শৈল্পিক ও পরিচ্ছন্ন।

যার হাতের কাজ অত্যন্ত সূক্ষ্ম এবং ডিটেইলড (খুব খুঁটিনাটি বিষয় আঁকায় পারদর্শী)।

যার খাতায় রঙের ব্যবহার, শেডিং এবং রঙের ভারসাম্য সবচেয়ে চমৎকার।

শুধুমাত্র পেনসিল বা চারকোল ,পেন ইত্যাদি স্কেচের ওপরে সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছে

অভিভাবকদের জিজ্ঞাসা:

১. নিজেকে প্রকাশ করার মাধ্যম (Self-Expression)
অনেক সময় আমরা যা মুখে বলতে পারি না বা ভাষায় প্রকাশ করতে পারি না, তা রঙের মাধ্যমে খুব সহজেই বলা যায়। ছবি আঁকা হলো নিজের মনের কথা, আনন্দ, দুঃখ বা কল্পনাকে প্রকাশের একটি শক্তিশালী ভাষা। এটা তাদের ব্যক্তিত্বকে আরও দৃঢ় করে।
২. পড়াশোনায় মনোযোগ ও ধৈর্য বাড়ানো (Focus & Patience)
একটি স্কেচ বা পেইন্টিং শেষ করতে ধৈর্য ধরে দীর্ঘ সময় বসে থাকতে হয়। এই যে ধৈর্য ধরার ক্ষমতা এবং প্রতিটি ছোট ছোট বিষয়ের দিকে নজর দেওয়া—এই গুণটি তাদের স্কুলের পড়াশোনা, গণিত সমাধান বা মুখস্থ করার ক্ষেত্রেও সাহায্য করবে। তারা আরও বেশি মনোযোগী হয়ে উঠবে।
৩. মস্তিষ্ককে সচল ও তীক্ষ্ণ রাখা (Brain Development)
ছবি আঁকা মানে শুধু খাতা ভরা নয়, এটি চোখের দেখার ক্ষমতার সঙ্গে হাতের কাজের এক অসাধারণ সমন্বয়। এটি মস্তিষ্কের সেই অংশগুলোকে সক্রিয় করে যা আমাদের চিন্তা করার ক্ষমতা (Critical Thinking) বাড়ায়। ছবি আঁকতে জানলে যেকোনো বিষয়কে তারা সাধারণের চেয়ে একটু আলাদাভাবে বা গভীরভাবে দেখার ক্ষমতা অর্জন করবে।
৪. যান্ত্রিক জীবন থেকে মুক্তি (Stress Management)
সারাদিন পড়াশোনা, অনলাইন ক্লাস আর কোচিংয়ের চাপে ছাত্রছাত্রীরা এখন অনেক বেশি যান্ত্রিক হয়ে পড়েছে। ছবি আঁকার সময়টুকু হলো তাদের জন্য একটি ‘মেডিটেশন’ বা ধ্যানের মতো। রঙ-তুলি নিয়ে বসলে মনের সমস্ত ক্লান্তি ও চাপ মুহূর্তেই দূর হয়ে যায়। এটি তাদের মানসিকভাবে অনেক বেশি সুখী ও শান্ত রাখে।
৫. ভবিষ্যতের ক্যারিয়ার (Future Versatility)
 ছবি আঁকা শুধু শখ নয়। আজকের দিনে সৃজনশীলতার অভাব সবখানেই আছে। ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ডিজাইন করতে, ডাক্তারিতে অ্যানাটমি বুঝতে, কিংবা ব্যবসার ক্ষেত্রে নতুন আইডিয়া তৈরি করতে—সব ক্ষেত্রেই ছবি আঁকার দক্ষতা একজন মানুষকে অন্যদের চেয়ে অনেক বেশি এগিয়ে রাখে।

১. ‘দক্ষতার স্তর’ বা Mastery (ধাপে ধাপে শেখা)
একটি সম্পূর্ণ কোর্সে বিভিন্ন লেভেল থাকে (যেমন: বেসিক, ইন্টারমিডিয়েট, অ্যাডভান্সড)।

 “তুমি যদি অর্ধেক রাস্তা গিয়ে ফিরে আসো, তবে তুমি শুধু কিছু টেকনিক শিখলে। কিন্তু কোর্স শেষ করলে তুমি জানবে কীভাবে যেকোনো কঠিন ছবি বা বিষয়কে নিজের মতো করে ফুটিয়ে তুলতে হয়। কোর্স কমপ্লিট করা মানে একটি বিষয়ে সম্পূর্ণ আত্মবিশ্বাস অর্জন করা।”
২. নিজস্ব বা স্বকীয় শৈলী তৈরি (Development of Unique Style)
শুরুতে সবাই দেখে শেখে, কিন্তু কোর্স শেষের দিকে শিক্ষার্থী নিজের একটি ‘স্টাইল’ বা ‘সিগনেচার’ তৈরি করতে শেখে।
যুক্তির জায়গা: “তুমি যখন পুরো কোর্সটি সম্পন্ন করবে, তখন তুমি আর কাউকে কপি করবে না; বরং তোমার নিজস্ব চিন্তাভাবনা দিয়ে নতুন কিছু সৃষ্টি করার ক্ষমতা তৈরি হবে। একজন সত্যিকারের শিল্পী হতে হলে কোর্স শেষের এই ধাপগুলো খুব জরুরি।”
৩. ধৈর্য ও লক্ষ্য অর্জনের অভ্যাস (Goal Completion)
পড়াশোনার বাইরে কোনো একটি দীর্ঘমেয়াদী লক্ষ্য পূরণ করার অভিজ্ঞতা ছাত্রছাত্রীদের জীবনে খুব কমই হয়।
যুক্তির জায়গা: “একটা কাজ শুরু করে সেটা শেষ করার যে মানসিক শক্তি (Discipline), তা যেকোনো বড় পরীক্ষার প্রস্তুতির চেয়ে কোনো অংশে কম নয়। এই কোর্সটি শেষ করলে তোমরা শিখবে কীভাবে একটি বড় কাজকে ছোট ছোট ভাগে ভাগ করে সফলভাবে শেষ করতে হয়—যা তোমাদের জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে কাজে লাগবে।”
৪. শখ থেকে পেশাদার রূপান্তর (Hobby to Expertise)

শিল্প এখন কেবল দেয়ালে টাঙানোর ছবি নয়।যুক্তির জায়গা: “আজকের দিনে শুধু ‘পারার’ চেয়ে ‘পেশাদার হওয়া’ বেশি জরুরি। কোর্স কমপ্লিট করলে তুমি একজন সার্টিফাইড আর্টিস্ট হবে। ভবিষ্যতে যদি আর্ট নিয়ে কোনো কাজ করতে চাও, তখন এই পূর্ণাঙ্গ কোর্সটি তোমার পোর্টফোলিও হিসেবে কাজ করবে।”

৫. একটি ‘সম্পূর্ণ যাত্রা’ (A Complete Journey)
“যেমন স্কুলে ক্লাস ১ থেকে ১০ পর্যন্ত পড়তে হয় কারণ প্রতিটি ক্লাস আগের ক্লাসের ভিত্তি তৈরি করে, তেমনি এই কোর্সের প্রতিটি বছরের সিলেবাস একে অপরের পরিপূরক। ১৫ বছরের এই জার্নিতে তুমি শুধু ছবি আঁকতে শিখবে না, তুমি শিখবে পৃথিবীকে দেখার নতুন চোখ।”

১. সৃজনশীলতা ও বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশ (Creative Thinking)
অষ্টম শ্রেণীর পর যখন পড়াশোনার চাপ বাড়ে, তখন ছাত্রছাত্রীদের মস্তিষ্কের ওপর অনেক বেশি চাপ সৃষ্টি হয়। ছবি আঁকা বা শিল্পের চর্চা মস্তিষ্কের ‘Right Brain’-কে সচল রাখে, যা যুক্তিবাদী চিন্তার পাশাপাশি সৃজনশীল সমাধান খুঁজে বের করতে সাহায্য করে। এটি পড়াশোনার ক্লান্তি দূর করে এবং মনকে শান্ত ও মনোযোগী করে তোলে।
২. মানসিক স্বাস্থ্যের রক্ষাকবচ (Stress Relief)
কিশোর বয়সে পড়াশোনা, পরীক্ষা এবং ভবিষ্যতের ক্যারিয়ার নিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক মানসিক চাপ তৈরি হয়। শিল্পচর্চা একটি দুর্দান্ত ‘স্ট্রেস বাস্টার’। রং ও তুলির কাজ মানুষের মনের ভেতরে জমে থাকা অস্থিরতাকে কমিয়ে আত্মবিশ্বাস বাড়াতে সাহায্য করে। অভিভাবকরা যখন বুঝবেন যে ছবি আঁকা কেবল শখ নয়, বরং এটি তাদের সন্তানের মানসিক সুস্থতার মাধ্যম, তখন তারা আর এটি বন্ধ করার কথা ভাববেন না।
৩. ক্যারিয়ারের নতুন দিগন্ত (Future Opportunities)
বর্তমানে শিল্পের জগত কেবল কাগজের ছবি আঁকার মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। ছবি আঁকার দক্ষতা থাকলে ভবিষ্যতে ক্যারিয়ারের জন্য অনেকগুলো দুয়ার খুলে যায়:
গ্রাফিক ডিজাইন ও ডিজিটাল আর্ট: এখন সব ক্ষেত্রেই ডিজিটাল আর্টের প্রচুর চাহিদা।
আর্কিটেকচার ও ইন্টেরিয়র ডিজাইন: এই পেশাগুলোর মূল ভিত্তিই হলো সৃজনশীলতা ও ড্রয়িং।
অ্যানিমেশন ও গেম ডিজাইন: বর্তমানে এটি বিশ্বের অন্যতম আকর্ষণীয় ক্যারিয়ার।
ফ্যাশন ডিজাইন ও বিজ্ঞাপন জগৎ: প্রতিটি শিল্পপ্রতিষ্ঠানেই সৃজনশীল মানুষের প্রয়োজন।
৪. বিষয়ভিত্তিক গভীরতা ও ধৈর্য (Focus & Patience)
একটি ভালো ছবি আঁকতে ধৈর্যের প্রয়োজন হয়। এই ধৈর্য ধরার অভ্যাসটি তাদের পড়াশোনার ক্ষেত্রেও সাহায্য করে। জটিল কোনো বিষয়কে সহজভাবে উপস্থাপন করার ক্ষমতা বা ‘ভিজ্যুয়াল থিংকিং’ তাদের উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে অন্যদের চেয়ে এগিয়ে রাখবে।

Student Work

STAR MARKS STUDENTS

ছবি শিক্ষণ কেন্দ্র ড্রইং পরীক্ষার ৭৫ % বেশি নম্বর পেয়েছেন যারা

Teachers Group

Anup Das

Chhabi Art Centre

Shampa Das

Chhabi Art Centre

Rahul Rui Das

Chitramon Art Academy

Sneha Dhara

Bharati Kala Kendra

Sheuli Mondal

Bikash Kala Kendra

Nibedita Dhara

Sonali Art Sentre

Sayantan Das

Chhabi Art Centre

Subhadeep Karak

Chitrokola Drawing Proshikhan Kendra

About

​ ছবি শিক্ষণ কেন্দ্র-এ আপনাকে স্বাগত।
আমাদের প্রতিষ্ঠানটি পশ্চিমবঙ্গ সরকার দ্বারা নিবন্ধিত একটি স্বনামধন্য শিল্পকলা একাডেমি।
(2009) দীর্ঘ বছর ধরে আমরা অত্যন্ত যত্ন সহকারে শিশু থেকে শুরু করে যেকোনো বয়সের শিক্ষার্থীদের চিত্রাঙ্কন এক সমন্বিত শিক্ষা প্রদান করে আসছি।​
আমাদের মূল উদ্দেশ্য হলো শিক্ষার্থীদের ভেতরের সুপ্ত প্রতিভাকে বিকশিত করা এবং শিল্পের প্রতিটি শাখায় তাদের প্রাতিষ্ঠানিক ও নিখুঁতভাবে গড়ে তোলা।
অভিজ্ঞ শিক্ষক মণ্ডলী এবং একটি সুশৃঙ্খল পাঠ্যক্রমের মাধ্যমে আমরা ছাত্র-ছাত্রীদের সৃজনশীলতার বিকাশ ঘটাতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
আসুন, শিল্পের এই সুন্দর সফরে আমাদের সাথে শামিল হোন।

ছবি শিক্ষণ কেন্দ্র
একটি বেসরকারি সাংস্কৃতিক ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বাৎসরিক পরীক্ষার ব্যবস্থা করে, যা অঙ্কন, চিত্রকলা, নৃত্য ও সংগীত শিক্ষার প্রসারে কাজ করে।
এই  স্কুল/প্রতিষ্ঠান  সংযুক্তি (Affiliation) প্রদান করে থাকে।

Contact now

CHHABI SHIKSHAN KENDRA

Shyampur, Howrah, West Bengal

+919804925397

+918327212056

chhabishikshankendra@gmail.com

Scroll to Top